opennews.com.bd
  • | |
  • cnbangladesh.com
    cn.com
    cn.com
    cn.com
    cn.com
cnbangla.com
শিল্প-সাহিত্য

আমাদের নাট্যচর্চা: দর্পণে ফিরে দেখা


Date : 12-31-15
Time : 1451549019

cnbangladesh.com

বাংলাদেশে আধুনিক থিয়েটার বা নবনাট্যের যাত্রা শুরু হয় স্বাধীনতা-উত্তর কালে। ধারাবাহিক নাট্যচর্চা ও মঞ্চায়ন, নাট্যে আধুনিক প্রযুক্তি ও রীতি-কৌশলের ব্যবহার, দর্শনীর বিনিময়ে নাট্য মঞ্চায়ন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পৃথক ডিসিপ্লিন হিসেবে নাট্যের পাঠদান ও ডিগ্রি প্রদান, জাতীয় নাট্যশালার প্রতিষ্ঠাএসবও ঘটেছে স্বাধীনতা পরবর্তী কালেই। বলা যায় এদেশে নাট্যকে পৃথক শিল্প হয়ে উঠবার জন্য স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। স্বাধীনতা পূর্বকালে তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে নাট্যচর্চা ছিল না এমন নয়, তবে সে নাট্যচর্চা ধারাবাহিক ছিল না; ছিল সৌখিন এবং অনিয়মিত।

বাংলাদেশের  থিয়েটার চর্চা মূলত স্বেচ্ছাশ্রম প্রকল্পের মত। থিয়েটার করা আর স্বেচ্ছাশ্রমে খালকাটা সমান কথা। তবে এ চর্চাটা পুরোপুরি শখ নয়, কিছুটা নেশা, তার চেয়েও বেশি ক্ষ্যাপামী । না হয় আধপেটা খেয়ে এভাবে কেউ মঞ্চশ্রমিক হতে পারেনা। সভ্যতা যে ভাবে গড়ে উঠেছে, সেভাবে আমাদের মঞ্চও গড়ে উঠে। সভ্যতা নির্মাণকারীদের সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের একটি চমৎকার বচন আছে, “মানুষের সভ্যতায় একদল অখ্যাত লোক আছে, তাহাদের সংখ্যা বেশী, তাহারাই বাহন, তাহাদের মানুষ হবার সময় নেই, দেশের সম্পদের উচ্ছিষ্টে তারা পালিত। তারা সভ্যতার পিলসুজ, মাথায় প্রদীপ নিয়ে খাড়া দাঁড়াইয়া থাকে, উপরের সবাই আলো পায়, তাহাদের গা দিয়ে তেল গড়িয়ে পড়ে।’’

২০১৫ সালে ঢাকার মঞ্চে নুতন নাটক নির্মাণের সংখ্যা তেমন বেশী নয়। তারপরও কিছু কিছু প্রযোজনা দর্শকদের ভালো লেগেছে । নিরীক্ষার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়েছে অনেক নাট্য নির্মাণে। প্রাচ্যনাট স্কুল অব এ্যাকটিং প্রযোজনা- গুপি বাইন বাঘা বাইন, সুষম নাট্য সম্প্রদায়- শহরে নতুন, বাতিঘর- ঊর্ণাজাল, নাট্যবেদ- কমলাকান্ত, ঢাকা আর্ট থিয়েটার- সমাজের তিন চরিত্র, ভিশন থিয়েটার- গালিভারের সফর, উদীচী (নাট্যকলা বিভাগ)- দাফন , হত্যার শিল্পকলা, উঠান থিয়েটার- শীরদাঁড়া, প্রকৃতজন- প্রেমপত্র, কিস্‌সা কাহিনী, সুখ চাঁন্দের মোড়, দৃষ্টিপাত নাট্য সংসদ- কয়লা রঙের চাদর, পদাতিক নাট্য সংসদ (টিএসসি)- কালরাত্রি, ম্যাড থিয়েটার- নদ্দিউমতিন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী- মুল্লুক, নাট্যকেন্দ্র- বন্দুক যুদ্ধ, গাধার হাঁট, দৃষ্টিপাত নাট্যদল- বুড়ো ভুতের গপ্পো, মহাকাল নাট্য সম্প্রদায়- নীলাখ্যান, থিয়েটার (বেইলী রোড)- মায়ানদী, নাগরিক নাট্যাঙ্গন বাংলাদেশ- গহর বাদশা ও বানাছাপরী  নাটক সমূহ । সমালোচকের দৃষ্টিভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করলে দেখা যাবে অনেক প্রযোজনাই শিল্প উর্ত্তীণ হয়ে উঠেনি নাট্য সৃজনে ও অভিনয়ে।

অপরদিকে উল্লেখ করার মত কিছু নাট্যোৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে এই বছরে। যেমন, প্রাঙ্গণেমোর আয়োজিত- রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্য নাট্যোৎসব ২০১৫, মহাকাল নাট্য সম্প্রদায় আয়োজিত- শিখণ্ডী কথা জাতীয় নাট্যোৎসব, গঙ্গা যমুনা নাট্য পর্ষদ আয়োজিত- গঙ্গা যমুনা নাট্যোৎসব ২০১৫, সম্প্রীতি নাট্যোৎসব পর্ষদ আয়োজিত- মৃত্তিকালগ্ন আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব ২০১৫, পদাতিক নাট্য সংসদ (টিএসসি) আয়োজিত- সৈয়দ বদরউদ্দীন স্মৃতি নাট্যোৎসব, আরণ্যক নাট্যদল আয়োজিত- রাড়াঙ নাট্য উৎসব, শব্দ নাট্যচর্চা কেন্দ্র আয়োজিত- শব্দ নাট্যোৎসব, নান্দীমুখ আয়োজিত- নান্দীমুখ রঙ্গমেলা, থিয়েটার (বেইলী রোড) আয়োজিত- থিয়েটার নাট্যোৎসব ২০১৫। এছাড়াও আরো অনেক নাট্যেৎসব দর্শকদের নাটক দেখতে অনুপ্রাণিত করেছে। দেশ বিদেশের অনেক নুতন নুতন ভাবনার নাট্য নির্মাণের সাথে পরিচিত হয়েছে ঢাকার দর্শক।     

একটা বিষয় না বললেই নয়; ঢাকা শহরের নাট্যচর্চা  দিয়ে  সারাদেশের নাট্যচর্চাকে পরিমাপ করলে হবে না। তাবৎ জেলা শহরের যে বাস্তবতা, সংগ্রাম ও হাহাকার সেটি জানা প্রয়োজন। জেলা শহরের নাট্য সংগঠকরা স্ত্রীর গহনা বিক্রি কিম্বা নিজের জমি বেচে, অথবা সুদের উপর টাকা নিয়ে প্রযোজনা খরচ চালান। খরচটা মূলত একজনের পকেট থেকেই হয়। এভাবে সে দেউলিয়াও হয়। ঢাকার কেউ হয়না। কারণ অনেক। এটা রাজধানী। এখানে অনেক সুযোগ-সুবিধা আছে। অথচ আমরা যারা বাংলাদেশের থিয়েটার নিয়ে সার গর্ব বক্তৃতা দিই বা লিখি সেখানে এসব মানুষ বা জেলা শহরের নাট্যচর্চার কথা পাশ কাটিয়ে যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার মতই একই বিষয়। আসলে এটা আমাদের ঔপনেবেশিক চিন্তার বহিপ্রকাশ। বাংলাদেশের নাটকের ইতিহাস লিখতে গেলে অবশ্যই সারাদেশের নাট্যচর্চার কথা বলতে হবে। শুধুমাত্র রাজধানী কেন্দ্রিক নাট্যচর্চাই বাংলাদেশের নাট্যচর্চা নয়।    

এবার দৃষ্টি দেয়া যাক নাটকের মূল নিউক্লিয়াস দর্শকের দিকে।  বলাবাহুল্য দর্শক প্রথমত নাটক দেখতে আসেন বিনোদনের জন্য। কিন্তু শুধু বিনোদনে তাদের মন ভরেনা। মঞ্চ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তারা কিছু ভাবনাও সাথে করে নিয়ে যেতে চান। বিনোদন ক্লান্ত দর্শককে গত চল্লিশ বছরে তা কতটুকু দিতে পেরেছি আমরা ? উত্তরটা খুব আশাপ্রদ নয়।  দ্বিতীয়ত আমরা কতজন দর্শকের কাছে যেতে পেরেছি ? নির্ভরযোগ্য কোনো সংখ্যা তথ্য প্রমাণ আমাদের হাতে নেই। তবু যদি ধরে নেয়া যায় আমাদের মধ্যবিত্ত নির্ভর নগর কেন্দ্রিক নাট্যচর্চার কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা শহরের এক কোটিরও বেশী মানুষের মধ্যে মাত্র পাঁচ থেকে সাত শত দর্শক প্রতিদিন নাটক দেখে থাকেন। সে হিসেবে বছরের প্রতিদিন প্রদর্শনী হলেও এসংখ্যা  দুই থেকে আড়াই লাখের মতো। একবার ভাবুন সারা বছরে ঢাকার এক কোটিরও বেশী নাগরিকের মধ্যে দুই আড়াই লাখ মানুষ নাটক দেখেন। এ সংখ্যাটি আরো কমে যাবে যদি একই দর্শক দু’তিনবার করে দেখেন। কত অকিঞ্চিৎকর এই দর্শক সংখ্যা। 

ইউরোপে এমন অনেক দেশ অছে যেখানে মোট জনসংখ্যার চাইতে তার থিয়েটারের দর্শক সংখ্যা অনেক বেশী। তার মানে সেদেশের প্রতিটি মানুষই নাটক দেখেন কেউ কেউ দুতিনবারের বেশী ।

এসব বিবেচনায় আমাদের নাটক কতটুকু এগিয়েছে তা অবশ্যই ভাবনার বিষয়। খোদ রাজধানী ঢাকাতেই যখন এমন অবস্থা তখন ছোট ছোট শহর ও প্রত্যন্ত গ্রামঞ্চলের অবস্থা কি তা সহজেই অনুমেয়। ঢাকার বাইরে সব শহরেই যে নিয়মিত এবং প্রদর্শনীর বিনিময়ে নাটক হয় তাও কিন্তু নয়।

কারা নাটক করতে বা দেখতে আসছে সেদিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করি। মধ্যবিত্ত যুবকদের মোহমুগদ্ধতার ঝোঁক ক্রমে আরো নানদিকে বিস্তৃত হচ্ছে। ফলে কেবল নাট্যকর্মী নয়, নাট্যদর্শক হিসেবেও স্বচ্ছল মধ্যবিত্তের অংশগ্রহণ এখন ক্রমঅবনতিশীল। তবে ঢাকা শহরের চিত্রটা একটুকু ভিন্ন। এখানে অনেক তরুণকর্মী আসছে নাটক করার জন্য। তার পেছনে একটাই কারণ মিডিয়া। বিভিন্ন নাট্যদল যখন নুতন কর্মী নেয় সেই ইন্টারভিউ বোর্ডে উপস্থিত থাকলে আমার এই বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যাবে। 

অন্যদিকে জেলা শহরে নাট্যক্রিয়ার সাথে যুক্ত হবার সংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। যারা আসছে তাদের বেশিরভাগই নিন্মবিত্ত পরিবারের সন্তান। এরা কর্তব্যপরায়ণ কিন্তু আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে উদ্যোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নির্ভরশীল নয়। সৃজনশীল কাজের সাথে এ ধরনের নির্ভরশীলতার সম্পর্ক বিপরীতমুখী। 

সংস্কৃতি বিকাশে রাষ্ট্রের ভূমিকা কি? আমাদের নাট্য প্রচেষ্টায় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা নেই। রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া বাংলাদেশের নাট্য এগিয়ে যাওয়া কোনভাবেই সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সিটি কর্পোরেশন , স্থানীয় সরকার ভূমিকা রাখতে পারে। এখন যে পদ্ধতিতে সরকার নাট্যদলগুলোকে অনুদান দিচ্ছে সেভাবে কখনও একটি নাট্যদল বেঁচে থাকতে পারে না। জেলা শহরের একটি নাট্যদল বছরে পাচ্ছে পনের থেকে বিশ হাজার, রাজধানীর দলগুলো প্রায় পঞ্চাশ থেকে ষাট হাজার। 

বছরব্যাপী কার্যের উপর ভিত্তি করে বাৎসরিক অনুদান দেওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে দলগুলোর কার্যক্রমকে মনিটরিং করা প্রয়োজন এবং যারা নিয়মিতভাবে কাজ করে তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে কর্মসূচি গ্রহণ করা। পাশাপাশি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর অধীনে সারাদেশের নাট্যদলগুলোর নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা। তাহলে নাট্যদলগুলোর জবাবদিহিতারও একটা প্রক্রিয়া তৈরি হবে।       

শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যক্তিগত গুণের কারণেই এদেশে অধিকাংশ নাট্য-সংগঠন সাফল্যের সাথে ঠিকে আছে এমনটা কিন্তু নয়। এই শীর্ষ নেতৃত্বের সাফল্যের পেছনে কেবল তাদের ব্যক্তিক গুণাবলীই কাজ করেনি; এর পেছনে অনুসারী বা সাধারণ নাট্যকর্মীদের অবদানও কম নয়। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশে নাট্যচর্চার সাফল্যের পেছনে নাট্য-সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের কর্মদক্ষতা ও ব্যক্তিগত কর্মনৈপুণ্য যেমন অবদান রেখে চলছে, তেমনইভাবে অবদান রেখে চলেছে সংগঠনের উন্নত কর্মপদ্ধতি, এককেন্দ্রিক আদর্শ এবং কর্মীদের অঙ্গীকার ও কর্মদক্ষতা। অবশ্য এক্ষেত্রে পরিস্থিতির অবদানও কম নয়। অনেকেই মনে করেন দেশে বারবার সামরিক শাসন এবং নাট্যিক কর্মকাণ্ডে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার অভাবসহ বহুবিধ বাধাই নাট্যকর্মীদের অঙ্গীকারকে আরো দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছে- বাধার দুয়ার খুলতেই নাট্যকর্মীরা হয়েছে আরো বেশি সৃজনশীল। সুতরাং নাট্যকর্মীদের অঙ্গীকার, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও ঐক্য আজকের দিশাহীন পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটবে- এই সংকটকালে এমন প্রত্যাশা করা ছাড়া নেতিবাচক কোনো ভাবনা আমরা ভাবতে চাইনা।

বিশ্ব নাটকের এক মহান স্থপতি হেনরিক ইবসেনের কথা বার বার মনে পড়ছে- Drama should be source of insight, a creator of discussion, aconveyor of ideas, more than mere entertainment. এ কথাগুলো যদি অঅমাদের নাটকে স্ফুতিলাভ করে তাহলে নাটকের অনেক প্রতিবন্ধকতাই আমরা অতিক্রম করতে পারবো। সবশেষ কথা  more than mere entertainment.  অর্থাৎ নাটককে শুধুমাত্র বিনোদন এইগন্ডি অতিক্রম করে সামাজিক দ্বন্দ্ব বিকাশের ও লড়াইয়ের হাতিয়ার হয়ে উঠতে হবে। তাহলেই নাটক পৌঁছতে পারবে আরো বেশী দর্শকের মাঝে। নাটকে আসবে আরো অগ্রবর্তী ভাবনা। সমৃদ্ধ হবে আমাদের নাট্যযাত্রা। 

সমাজের প্রান্তিক ও বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে নাটককে নিয়ে যাওয়ার কথাই বারবার উঠে এসেছে আমাদের নাট্যচর্চায়। নাটককে পেশাদারী ভিত্তিতে চালানোর প্রয়াসও হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে বাস্তবে কি আমরা নাটককে জনগণের কাছে নিয়ে যেতে পেরেছি ? নির্মম সত্যটি হলো না পারিনি। নাটকের যা কিছু অগ্রগতি যা কিছু গুণগত পরিবর্তন তা নগর ও মধ্যবিত্ত কেন্দ্রিক। এক কথায় বলতে গেলে আমাদের থিয়েটার মধ্যবিত্তের থিয়েটার এবং এখনো তা জনগণের থিয়েটারে পরিণত হয়নি। সে লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।





সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এনামুল হক শাহিন
প্রধান সম্পাদকঃ সিমা ঘোষ
সম্পাদকঃ নরেশ চন্দ্র ঘোষ

ঠিকানাঃ
২৩/৩ (৪ তালা), তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০
ফোনঃ ০২৯৫৬৭২৪৫, ০১৯৭৭৭৬৮৮১১
বার্তা কক্ষঃ ফাক্সঃ ০২৯৫৬৭২৪৫, ০১৬৭৬২০১০৩০
অফিসঃ ০১৭৯৮৭৫৩৭৪৪,
Email: editoropennews@gmail.com



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ নুরে খোদা মঞ্জু
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ গাউসুল আজম বিপু
বার্তা সম্পাদকঃ জসীম মেহেদী
আইটি সম্পাদকঃ সাইয়িদুজ্জামান